Home » চুলকানি দূর করার ক্রিম ও ঔষধের নাম এবং অন্যান্য টিপস
চুলকানি দূর করার ক্রিম, চুলকানি দূর করার ঔষধের নাম, চুলকানি দূর করার ঘরোয়া উপায়,

চুলকানি দূর করার ক্রিম ও ঔষধের নাম এবং অন্যান্য টিপস

by Dr. ABM Khan
0 comment 133 views

চুলকানি কখনো কখনো বেশ অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে দেয়। বিশেষ করে, যখন আপনি পাবলিক প্লেসে আছেন, আর আপনার গোপন জায়গায় চুলকাতে শুরু করলো, তখন কি যে একটা অবস্থা হয়! তখন না পারেন সয়তে, না পারেন চুলকাতে। তাই আজকের ব্লগে জানাবো চুলকানি দূর করার ক্রিম ও ঔষধ সম্পর্কে। সেই সাথে আলোচনা করবো, চুলকানি হওয়ার কারণ এবং চুলকানি দূর করার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে। সবশেষে চুলকানি দূর করার দুর্দান্ত কিছু টিপসও শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। তো, চলুন জেনে নিই-

চুলকানি হওয়ার কারণ

বিভিন্ন কারণে চুলকানি হয়ে থাকে। তবে চুলকানি হওয়ার জন্য প্রধানত ৪টি বিষয়কে দায়ী করা হয়। এগুলো হলো-
১। চামড়ার গঠনগত পরিবর্তন,
২। নার্ভ সিস্টেমের সমস্যা,
৩। সাইকোজেনিক সমস্যা, এবং
৪। নিউরোলজিক সমস্যা।

এর বাইরেও চুলকানির বিভিন্ন কারণ রয়েছে। যেমন- চুলকানি রোগীর সংস্পর্শ, এলার্জিজনিত চুলকানি, মাথা চুলকানি, গোপনাঙ্গে চুলকানি, কিছু কিছু খাবারের জন্য চুলকানি ইত্যাদি।

বড়দের ৫টি কাশির সিরাপের নাম | শুষ্ক কাশির ঔষধের নাম

চুলকানি দূর করার ক্রিম

চুলকানি দূর করার জন্য অনেক ধরনের ক্রিম ও ঔষধ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু জনপ্রিয় ক্রিম ও ঔষধের নাম নিম্নে দেয়া হলো:
• অ্যালোভেরা ক্রিম
• ক্যালামাইন ক্রিম
• বেটামেথ্যাসোন ক্রিম
• হাইড্রোকর্টিসোন ক্রিম
• বেনজিল পারঅক্সাইড ক্রিম
• স্যালিসিলিক অ্যাসিড ক্রিম
• ক্লোরহেক্সিডিন ক্রিম

চুলকানির ট্যাবলেট সমূহের নাম

চুলকানি রোগের জন্য যেসব ট্যাবলেট সরবরাহ করা হয় সেগুলো হলো-
• Sendo
• Atarax 25mg
• Oradin
• Alatrol
• Darma 50

চুলকানি দূর করার ঔষধের নাম

চুলকানি দূর করার ঔষধ সমূহের মধ্যে রয়েছে-

• Fexo 120
• Alatrol
• Safi
• Ebatin
• Oradin

চুলকানির মলমের নাম

চুলকানির জন্য যেসব মলম ব্যবহৃত হয় সেগুলো হলো-

• Fungidal-HC cream
• Togent
• Ezex
• Antifungal

চুলকানি দূর করার ঘরোয় উপায়

কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে চুলকানি দূর করা যেতে পারে। এই উপাদান গুলো আপনি ঘরোয়াভাবেই পেয়ে যাবেন অথবা তৈরি করে নিতে পারবেন। নিচে এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

নিমপাতা

চর্মরোগ তথা খোসপোসড়া জাতীয় রোগের জন্য কার্যকরী উপাদান হচ্ছে নিমপাতা। এটি সকল ধরনের চুলকানি রোগে ব্যবহার করা যায়। আপনি নিমপাতা সেদ্ধ পানিতে গোসল করতে পারেন। অথবা পরিষ্কার নিমপাতা বেটে বা পিষে চুলকানো স্থানে লাগাতে পারেন। এতে আপনার দেহে চুলকানি অনেকটা কমে যাবে।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা সাধারণ বিউটি উপাদান হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে এটি এলার্জি বা চুলকানিতেও ব্যবহার করা যায়। এটি বেশ সহজলভ্য। অনেকেই ছাদ বাগানে বা নিজেদের রূপচর্চার কাজে ব্যবহারের জন্য বাসায় দু-একটি অ্যালোভেরা রেখে থাকেন। সেখান থেকে একটা পাতা নিয়ে জেল বা রস বের করে চুলকানিস্থানে লাগিয়ে নিবেন। দেখবেন আপনার চুলকানি খুব দ্রুত কমে যাবে।

ফর্সা হওয়ার ট্যাবলেট এর নাম | স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার ঔষধ

নারিকেল তেল

চুলের পুষ্টির জন্য খাঁটি নারকেল তেলের জুড়ি নেই। তবে চুলের পুষ্টি যোগানো ছাড়াও এই তেলটি আরও বিভিন্ন কাজে লাগে। তারমধ্যে একটি হলো চুলকানি কমাতে। আপনি যদি কোন পোকামাকড়ের কামড় খেয়ে থাকেন, এবং উক্ত স্থানে চুলকানি হয়, তবে সাত-পাঁচ না ভেবে নারকেল তেল লাগিয়ে নিবেন। দেখবেন চুলকানি ও ব্যথার উপশম হয়েছে।

লেবুর রস

চুলকানি রোগে লেবুর রস ব্যবহার করেও উপকার পাওয়া যায়। আপনি জাস্ট চুলকানি স্থানে লেবুর রস লাগিয়ে রস শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। দেখবেন, চুলকানি অনেকাংশেই কমে গেছে।

চুলকানি দূর করার টিপস

চুলকানি দূর করার জন্য নিম্নোক্ত টিপসগুলো দারুণ কাজে লাগে। যেমন-

• ত্বককে পরিষ্কার রাখুন।
• ত্বককে ঘষবেন না।
• সংকীর্ণ পোশাক পরবেন না।
• অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলুন।
• পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন।
• স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

আশাকরি, উপরোক্ত আলোচনা থেকে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। উপরের আলোচনায় চুলকানি হওয়ার কারণ, চুলকানি দূর করার ঔষধের নাম, ক্রিম ও ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সেই সাথে চুলকানি দূর করার কিছু টিপসও শেয়ার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি চুলকানিকে মোকাবেলা করার অনেকগুলো উপায় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। অনেকগুলো ঔষধ ও ক্রিম সম্পর্কেও জানতে পেরেছেন। তবে একটা সতর্কতা বা অনুরোধ হলো- কখনোই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো মেডিসিন নেয়া ঠিক হবে না। তবে ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এগুলোতে ক্ষতিকর কিছু নেই।

You may also like

Leave a Comment